লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং মূলত চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্যকে সংশ্লেষণ,উৎপাদন এবং পরিশুদ্ধ করণের সাথে জড়িত, যার মাধ্যমে এগুলোকে বিভিন্ন বাণিজ্যিক দ্রব্য যেমনঃ Footwear, Clothing, Gloves, Bags, Pholstery – including Automobiles and Sports goods ইত্যাদিতে রুপান্তরিত করা যায় ।
উইকিপিডিয়া অনুসারে “Leather is a durable and flexible material created by tanning of animal rawhide and skin”। অর্থাৎ ‘Leather’ বলতে শুধু মাত্র চামড়া (skin) বললে ভুল হবে।
]বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে এই সাবজেক্ট টা নিয়ে একটা ভ্রান্ত ধারণা আছে। অনেকেতো একে ‘চামড়া প্রকৌশল’ বলে দাবি করে! যাই হোক আসল কথায় আসা যাক, এর manufacturing process টি বিভিন্ন ধাপের মাধ্যমে cottage industries থেকে heavy industry তে ত্বরান্বিত হয়।
বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি তে পড়ানো এই Leather Engineering সাবজেক্ট টি মূলত Raw leather কে Finished leather এ synthesis করার তিনটি পর্যায় সম্পর্কে ধারণা দিয়ে থাকে শিক্ষার্থীদেরকে। এই তিনটি পর্যায় গুলো হলঃ               
     1. Preparatory stages,
     2.  Tanning and
     3.  Crusting ।
এখন আসা যাক Leather Engineering বিভাগের core subject গুলো সম্পর্কে। Core subject গুলো হলঃ
*Biochemistry of proteins, principles of Pre-Tannage,
*Analytical chemistry of pre –Tanning materials,
*Biotechnology of Leather manufacture,
*Mechanics Leather Machines,
*Methods of leather manufacture, Post tanning operations,
*Analytical Chemistry of Post tanning & finishing agents,
*Analytical Chemistry of leather,
*Footwear Engineering and Leather products Engineering.
এই বিষয় গুলো ছাড়াও চার বছরের কোর্সের এই ডিপার্টমেন্টটিতে প্রথম ২ বছরে ডিপার্টমেন্টাল সাবজেক্ট এর পাশাপাশি Basic Electrical Engineering, Computer fundamental and programming , computer aided graphics design, Basic Mechanical Engineering ইত্যাদি বিষয়গুলো সহ Inorganic and Organic Chemistry, Mathematics, Physics, Accounting, English, and Economics সাবজেক্ট গুলো পড়ানো হয়।
Leather Engineering এ B.Sc Engineering পাশ করার পর শিক্ষার্থীরা Leather Engineering এ M.Sc করার পাশাপাশি Chemical Engineering এবং IPE ডিপার্টমেন্ট এও M.Sc Engineering পড়তে পারে। একজন Leather Engineering এর স্টুডেন্ট যে সকল সেক্টরে job করতে পারেঃ
• As Leather Engineer
• As Chemical engineer
• In Footwear Industry
• In Leather Products Industry
• In Leather Products Development Industry
• In Polymer Industry
• In Dyeing Industry
• Waste Management Industry
• Renewable Energy
  বাংলাদেশে কেবল মাত্র ২ টি ইউনিভার্সিটি তে B.Sc in Leather Engineering ডিগ্রী প্রদান করা হয়ে থাকে । Khulna University Of Engineering & Technology (KUET) এ (60 seats) এবং Instute of Leather Engineering & Technology (University of Dhaka) তে (LE=40 seats, FWE=40 seats, LPE=40 seats) ।
কুয়েটে Leather Engineering ডিপার্টমেন্টে একইসাথে Leather Manufacturing Engineering, Leather products Engineering এবং Footwear Engineering বিষয় গুলো পড়ানো হয়। অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে Leather Engineering & Technology অনুষদে ঐ তিনটি সাবজেক্ট এ আলাদা আলাদা তিনটি department আছে ।
আমাদের দেশে ঢাকার হাজারীবাগ ছাড়াও চট্রগ্রাম এ ও leather and leather goods এর বর্তমান চাহিদার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠছে Leather Industry । কিন্তু এসকল industry এর জন্য যে পরিমান দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার দরকার তা fulfill করতে পারেনি বাংলাদেশ, ফলশ্রুতিতে বিদেশ থেকে leather engineer বাংলাদেশে আনা হচ্ছে । বাংলাদেশ সরকার এই চাহিদা বুঝতে পেরে 2010 সালে কুয়েটে ৬০ আসন বিশিষ্ট Leather Engineering department খোলার অনুমোদন দেয় ।
চামড়া ও চামড়া জাত দ্রব্য রপ্তানিতে বাংলাদেশের Leather Industry চতুর্থ অবস্থানে (বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের মধ্যে )।       একটা সময় ছিল যখন মানুষ tannery এর নাম শুনলে নাক শিটকে নিতো, কিন্তু সাবজেক্ট টার সাথে বিভিন্ন কেমিক্যাল term এর পাশাপাশি bio-chemical এবং bio-technological term এর সংমিশ্রণের কারণে Leather Engineering বর্তমান বহির্বিশ্বে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

 


0 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.