এই department সম্পর্কে অনেকের ই ভালো ধারণা নেই। RUET এ এটা EEE এবং CSE course মিশ্রণে পড়ানো হয়। ফলে যাদের EEE এবং CSE দুইটাতেই আগ্রহ আছে তাদের জন্য এটা বড় সুযোগ । তো, শুরু করা যাক!
RUET এর ECE এবং অন্যান্য ভার্সিটি এর ECE এক না। এটা হচ্ছে দুইটা মেযর সাব্জেক্ট এর সমন্বয় । বিশ্বের অন্যতম পুরনো ও প্রথমদিকের ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের নাম বললে চলে আসে Electrical এর কথা । আর বর্তমান সময়ের Trending বিষয় হল Computer Science (যেখানে programing সহ রয়েছে সকল minor course যা CSEতে পরানো হয়) । উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য এই দুটি Trending বিষয় এর সমন্বয়ে “Electrical & Computer Engineering(ECE)”, তাছাড়া অনেক দেশে একে EECS (ELECETRICAL ENGINEERING & COMPUTER SCIENCE) যা ECE এর অন্য নাম মাত্র।
ECE এর কোর কোর্স হল Electrical & Computer । তাহলে মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে এখানে কি কি পড়ানো হয়?

     আপাতদৃষ্টিতে দেখতে যেমন মনে হয়, ECE আসলে কোনো ছোট পরিসরের সাবজেক্ট না, এর পরিসর অনেক ব্যাপক, ক্ষেত্র অসীম। ECE এর মেজর কোর্স গুলো হল:
1.Electrical Circuits & Systems
2.Analog Electronic Circuits
3.Electrical Machine
4.Electrical shop practice
5.Digital Electronics
6.Industrial Management
7.Power System
8.Industrial Electronics
9.Digital Signal processing
10.Power station & protection
11.Computer Programming
12.Digital Techniques
13.Data Structures & Algorithm
14.Information system Design
15.Microprocessor & Assembly Language
16.Software Developement & Project
17.Software Engineering
18.Computer Architecture & Aided instrumentation
19.Communication Engineering
   এছাড়াও আরো অনেক মাইনর কোর্সতো রয়েছেই ।
এবার আসা যাক ল্যাব এর কথায়। ECE এর জন্য যেই ল্যাবগুলি সিলেবাস অন্তর্ভুক্ত সেগুলো হলো:-
1. Measurement lab
2. ‎Electronics lab
3. ‎Electrical machine lab
4. ‎Network lab
5. ‎Operating system lab
6. ‎Hardware lab
   ECE বাংলাদেশে নতুন বিষয় হলেও এটা খুব একটা নতুন বিষয় নয় । বিশ্বের অনেক বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সাবজেক্ট পড়ান হয় । এমন কি Waterloo, MIT এর মত বিশ্ববিদ্যালয় এর সবচেয়ে বড় department এই ECE । এছাড়াও North America এর leading সাবজেক্ট বলা হয় ECE কে । University of Torronto, Concordia, Duke, Manitoba, Technion, Aberta, Florida, Calgary,Taxas সহ সব world leading বিশ্ববিদ্যালয়েই সাবজেক্ট পড়ান হয় ।

এখন প্রশ্ন হল, “এতকিছু যে শিখব, এখানে কি কাজ করার কোন জায়গা আছে ?”
       – অবশ্যই আছে । যাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা বেশি, বিস্তর ইচ্ছা আছে এই Trending বিষয় নিয়ে কাজ করার তাদের জন্য ECE এর দ্বার সদা উন্মুক্ত । Power Sector এর কথা সবাই কমবেশি জানি । এই সেক্টরের চাহিদা বাংলাদেশে প্রচুর । এখানে আছে ECE ইঞ্জিনিয়ারদের অপার সুযোগ । অন্যদিক দিয়ে Computer engineering এর জব সেক্টর তো রয়েছেই . এছাড়া দেশের বাইরেও আছে সম্ভাবনা ।
ECE ইঞ্জিনিয়ারদের প্রধান কর্মক্ষেত্র গুলো হল :
*Engineering services
*Electric power generation, transmission and distribution
*Semiconductor and other electronic component manufacturing
*Navigational, measuring, electromedical, and control instruments manufacturing
*Research and development in the physical, engineering, and life sciences
*Telecommunications
*Federal government, excluding postal service
*Aplication Developement
*Animation & Graphic Design
*Software Testing
*Games Developer
*Multimedia Programmer
*Web Designing
*‎Software development
   এছাড়াও আরও অনেক যা বলে শেষ করা যাবে না ।
ECE এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এর মেজর কোর্স দুইটা । যে কেউ Electrical বা Computer যেকোনো সেক্টর নিয়ে কাজ করতে পারে । এর প্রতিটা ক্ষেত্রই আকর্ষণীয় ।

আর স্যালারি?

  
     এটা বলবনা,ইন্টারনেট সার্চ দিলেই জানতে পারবে । তবে, স্যালারির চেয়ে বিষয়টার প্রতি আকর্ষণ থেকেই ECE তে আসা উচিত। তাই তোমার মধ্যে যদি থাকে ক্রিয়েটিভিটি,প্যাশন, লিডারশিপ তাহলে চলে আসো ECE এর মত এই অপরিসীম সম্ভাবনার রাজ্যে।
   তোমাদের জন্য রইল শুভকামনা ।

Writer,

Md. Faysal Ahamed & Moloy Kumar Ghosh

ECE’16,

RUET

 

Avatar

Author

খোলাসা.কম

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *