বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ঃ (১৮৩৮-১৮৯৪)
*উপন্যাস সমগ্র-  রাজসিংহ থেকে চন্দ্রশেখরের স্ত্রীদ্বয়-রাধারাণীদেবী চৌধুরানী, চাঁদনী রজনীতে ইন্দীরা রোডের দূর্গেশ (নন্দিনী) পথ ধরে আনন্দমঠে বিষবৃক্ষের নিচে এসে কৃষ্নকান্তের (উইল) যুগলাঙ্গুরীয় উইল করায় মৃণালিনী সীতারামেকপাল কুন্ডালো ( কুন্ডলা) =১৪টি
* ত্রয়ী উপন্যাস- সীতাদেবী আনন্দমঠে যায়।
*প্রবন্ধসমগ্রকমলাকান্তের দপ্তর নাটকে তারেক ভাই কৃষ্ম চরিত্রে অভিনয় করে লোকরহস্য উন্মোচিত করে সাম্য ও মানবতার বিবিধ প্রবন্ধ রচনা করল।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরঃ (১৮৬১-১৯৪১)
*উপন্যাস সমগ্র- দুই বোন চতুরঙ্গের ঘোড়ায় (গোরা) চড়ে ঘরের বাইরে গিয়ে তাদের চোখের বালিকে হত্যা করে চার অধ্যায়ে শেষের কবিতা রচনা করলো। বৌ ঠাকুরানীর হাট থেকে এই রচনা কিনতে গিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ থাকায় নৌকাডুবি রাজশ্রীমালঞ্চ মারা গেলো।

মীর মোশাররফ হোসেনঃ (১৮৪৭-১৯১২)
*উপন্যাস সমূহ-  রাজিয়া খাতুন রত্নাবতীর বিষাদসিন্ধু লিখিত বাঁধাখাতা ইসলামের জয়ের পথিকৃত গাজি মিয়ার বস্তানীতে উপস্থাপন করবেন।তিনি তা দেখে বললেন, এটা কি উদাসীন পথিকের মনের কথা নাকি নিয়তি কি অবনতি!
 
প্রমথ চৌধুরীঃ (১৮৬৮-১৯৪৬)
*গ্রন্থসমূহতেল নূন লাকড়ির দোকানে গত বৈশাখে বীরবলের হালখাতা দ্বারা আমাদের আহুতি করা হয়েছে। তার দোকানে অনেক লোকের পদচারণ ঘটল এবং নানা কথা হল নানা চর্চা করা হল। নীল লোহিতের রায়তের কথা চার ইয়ারী কথা পর্যন্ত উঠে এল। আর সকলের টাকার হিসেব দেখা হল সনেট পঞ্চাশৎ থেকে।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ঃ (১৮৭৬-১৯৩৮)
উল্লেখযোগ্য গ্রন্থঃ পন্ডিতমশাই  ও বিন্দুর ছেলে “শ্রীকান্তবিরাজবৌকে নিয়ে দেবদাস ছবি দেখতে গিয়ে বড়দিদি মেঝদিদিপরিনীতার কাছে ধরা খেল। তার বিরুদ্ধে পথের দাবীতে বৈকুন্ঠের উইলে বিপ্রদাস দত্তা শ্রীকান্তের কাছে দেনা পাওনার শেষ প্রশ্ন উপস্থাপন করল। রামের সুমতি নিয়ে পল্লীসমাজ তাকে চরিত্রহীন বলে তার গৃহদাহ করার সিদ্ধান্ত নিল।    

অন্নদাশঙ্কর রায়ঃ (১৯০৪-২০০২)
উল্লেখযোগ্য গ্রন্থঃ ক্রান্তদর্শী রত্ন ও শ্রীমতী পকেটে উড়কি ধানের মুড়কি ও রাডা ধানের খৈ নিয়ে জীবন শিল্পী -রবীন্দ্রনাথের  লেখা বিনুর বইয়ের সত্যাসত্য যাচায়ের জন্য জাপানেপথে প্রবাসে ঘুরে ঘুরে আগুন নিয়ে খেলা দেখতে গেলো।    

শওকত ওসমান (১৯১৭-১৯৯৮)
উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহঃ প্রস্তর ফলকে জননী ও ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া সকল বনি আদমই জাহান্নাম হতে বিদায় নিবে বলে। প্রাইজ ও অনন্যা গল্প নামে একটি সাবেক কাহিনী প্রকাশিত হল। অন্যদিকে জুনু আপা ও অন্যান্য গল্পের ক্রীতদাসের হাসির বিরুদ্ধে আমলার মামলাতে উকিল কাঁকর মনির ব্যাখ্যায় সংস্কৃতির চড়াই উৎরাই হয়ে গেয়ে।

জীবনানন্দ দাশ(১৮৯৯-১৯৫৪)
গ্রন্থসমূহঃ রূপসী বাংলার কবি সুতীর্থ বনলতা সেন মহাপৃথিবীতে বেলা-অবেলা কালবেলা ঘুরে ঘুরে সাতটি তারার তিমিরের দেশ থেকে ধূসর পান্ডুলিপি উদ্ধার করল। এতে মূল্যবান(মাল্যবান) ঝরাপালকের কবিতার কথা লেখা ছিল।  

শামসুর রাহমানঃ(১৯২৯-২০০৬)
কাব্যগ্রন্থঃ কবি শামসুর রাহমান নিজ বাসভূমে বিধ্বস্ত নিলীমায় রৌদ্র-করোটিতে বসে গৃহযুদ্ধের আগে আদিগন্ত নগ্ন পদধ্বনি শুনতে পেয়ে তার মনে হল মানব হৃদয়ে নৈবেদ্য সাজাই নিরালোকে দিব্যরথ হরিণের হাড়ের মত অনাহারী মানুষগুলো দুসময়ের মুখোমুখি হয়েও এক ধরণের অহংকারে চিৎকার করে বলে-আমি অনাহারীহৃদয়ে আমার পৃথিবীর আলো থাকলেও মাঝে মাঝে দেশদ্রোহী হতে ইচ্ছে করে। কিন্তু বুকে তার বাংলাদেশের হৃদয়; তাই তারা আন্দোলন করে বলে উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ, বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে, ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাটা; আর আমি বন্দী শিবির থেকে লিখে পাঠালাম প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে এক ফোটা কেমন আলো

আবু জাফর ওবায়ডূল্লাহঃ(১৯৩২-২০০১)
কাব্যগ্রন্থ সমূহঃ আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি আমাড় সময় অনেক সহিষ্ণু প্রতীক্ষার পর বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা করে সাতনরীর হার মিলত। এই হার পেয়ে কমলের চোখে কখনো রং কখনো সুর খেলত।   সুকান্ত ভট্টাচার্যঃ (১৯২৬-১৯৪৭) গ্রন্থসমূহঃ আকালে হরতালের পূর্বাভাস শোনার পর থেকে সুকান্তের চোখে ছাড়পত্রের অভিযানে যাওয়ার জন্য ঘুম নেই এক্সট্রাঃ মীঠে কড়া রচনা ।

কামিনী রায়ঃ (১৮৬৪-১৯৩৩)
কাব্যগ্রন্থ সমূহঃ কামিনী রায় গলায় নির্মাল্য পোড়ে,আলো ও ছায়ার মিলনমেলায় দীপ ও ধূপ জ্বেলে জীবন পথে শোক সংগীত গাইলেন।

জসীমউদ্দিনঃ(১৯০৩-১৯৭৬)
গ্রন্থসমূহঃ  রাখালি হাসু ,নকশী কাঁথার মাঠের ধারে সোজন বাদিয়ার ঘাটের বালুচরে বসে এক মাটির কান্নার সুর তুলল ।এই সুর শুনে রঙ্গিলা নায়ের মাঝি সহ ছলা( চলে) মুসাফির চোখের পানি আতকাতে পারলো না।    

মোহাম্মাদ মনিরুজ্জামানঃ(১৯৩৯-২০০৮)
কাব্যগ্রন্থসমূহঃ প্রত্নু প্রত্যাশা আমার জীবনের বিপন্ন বিবাদের ব্যাপক কোলাহলের পর এক দুর্লভ দিনের শঙ্কিত আলকে ভাষাময় প্রজাপতির মতো ধীর প্রবাহে হেটে গিয়ে ভালোবাসার হাতে মোহাম্মাদ মনিরুজ্জামানের কাব্য সংগ্রহটি তুলে দিলাম।  

আব্দুল হাকিমঃ(১৬২০-১৬৯০)
কাব্যগ্রন্থসমূহঃ কারবালার ইউসুফ জুলেখার প্রেম কাহিনী শুনে সয়ফুলমূলক শহরের শহরনামা গ্রামের মামা (নামা)লালমতি নবউদ্দামে প্রেম শুরু করল।তাদের প্রেমকাহিনী নিয়ে নুরনামা নসিয়ৎনামা নামে কাব্যগ্রন্থ রচনা করল।

মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীঃ(১৮৯৬১৯৫৪)
গ্রন্থসমূহঃ মরুভাস্করের সৈয়দ আহমদ মহামানুষ মুহসীনের প্রিয়তম স্ত্রী স্মার্ণনন্দিনীর অনুরোধে ছোটদের হযরত মুহাম্মদ গ্রন্থটি রচনা করলেন।


0 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.